সমীকরণ ব্যালান্স করো।
সূত্র একই রাখো। সামনের সংখ্যা বদলে দুই পাশে পরমাণু মেলাও।
প্রথমবার? এইভাবে শুরু করো
বিক্রিয়ায় পরমাণুগুলো নতুনভাবে সাজে। প্রতিটি মৌলের যতটি পরমাণু আগে ছিল, পরেও ততটিই থাকে। তাই সমীকরণের দুই পাশে প্রতিটি মৌলের পরমাণু সমান করতে হয়। এটিই সমীকরণ ব্যালান্স করা।
সূত্রের ছোট সংখ্যা
H2O-তে H-এর নিচের ২ বলে, একটি পানির অণুতে ২টি H আছে। O-এর নিচে সংখ্যা নেই, তাই ১টি O আছে।
সামনের বড় সংখ্যা বা সহগ
৩H2O মানে পানির ৩টি অণু। তাই H = ৩ × ২ = ৬টি, O = ৩ × ১ = ৩টি। সহগ পুরো সূত্রের জন্য কাজ করে।
মনে রাখো: শুধু সামনের সহগ বদলাবে। H2O-কে H2O2 করলে পদার্থই বদলে যায়—পানির বদলে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড হয়!
- চেনো: তীরের বামে বিক্রিয়ক—যা দিয়ে শুরু; ডানে উৎপাদ—যা তৈরি হয়।
- গোনো: একটি মৌল বেছে দুই পাশে তার পরমাণু গুনে দেখো। নিচের হিসাবের ছক সাহায্য করবে।
- সহগ বদলাও: অমিল থাকা মৌল আছে এমন পদার্থের সামনে সংখ্যা বসাও। সূত্রের অন্য মৌলগুলোর হিসাবও বদলাবে।
- আবার মেলাও: সব মৌল সমান হলে সহগগুলো সবচেয়ে ছোট পূর্ণসংখ্যার অনুপাতে রাখো, তারপর “উত্তর যাচাই” চাপো।
একটি উদাহরণ ধাপে ধাপে দেখি: Mg + O₂ → MgO
- শুরুতে বামে Mg = ১, O = ২; ডানে Mg = ১, O = ১। অক্সিজেন মেলেনি।
- MgO-এর সামনে ২ বসাই: Mg + O2 → 2MgO। এখন ডানে O = ২ হয়েছে, কিন্তু Mg-ও ২ হয়েছে।
- বামের Mg-এর সামনে ২ বসাই: 2Mg + O2 → 2MgO। এখন দুই পাশেই Mg = ২ ও O = ২।
- সহগের অনুপাত ২ : ১ : ২। সব সহগকে আর একই পূর্ণসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে ছোট করা যায় না। সূত্রের সামনে ১ সাধারণত লেখা হয় না, তবে গেমের ঘরে ১ রাখবে।
বন্ধনী, যোগচিহ্ন ও (s), (l), (g), (aq) কী বোঝায়?
Ca(OH)2-এ বন্ধনীর বাইরের ২ ভেতরের O ও H—দুটিকেই গুণ করে। তাই Ca = ১, O = ২, H = ২। 3Ca(OH)2-এ Ca = ৩, O = ৬, H = ৬।
“+” আলাদা পদার্থগুলোকে পাশাপাশি দেখায়। একই মৌল একাধিক পদার্থে থাকলে তাদের পরমাণু যোগ করতে হয়। (s) কঠিন, (l) তরল, (g) গ্যাস, (aq) জলীয় দ্রবণ বোঝায়; এগুলো পরমাণু গোনার অংশ নয়।
প্রতিটি ঘরে ১–১০০০০-এর মধ্যে পূর্ণসংখ্যা বসাও। সহগ পুরো পদার্থের পরমাণু সংখ্যাকে গুণ করে। যেমন ২H₂O-তে ৪টি H ও ২টি O।
ভুল হলে আবার চেষ্টা করো—কোনো নম্বর কাটা যাবে না। ইঙ্গিত নিলেও নিজে সমাধানের স্কোর পাবে। “সমাধান দেখো” চাপলে এই প্রশ্ন নতুন করে স্কোরে যোগ হবে না। শেখা হয়ে গেলে “আবার চেষ্টা” দিয়ে নিজে মিলিয়ে দেখো।