নেটওয়ার্ক নিজে বানাও, নিজে ভাঙো।
একটি টপোলজি বেছে কম্পিউটার যুক্ত করো, এক কম্পিউটার থেকে আরেকটিতে প্যাকেট পাঠাও। তারপর কোনো তার বা হাবে ক্লিক করে নষ্ট করো—দেখো ডেটা এখনো পৌঁছায় কি না, আর কেন।
টপোলজি সিমুলেটর
সব টপোলজির তুলনা
ট্রান্সমিশন মোড
ডেটা কোন দিকে আর কতজনের কাছে যায়, তা দিয়ে মোড ঠিক হয়। একটি বোতাম চাপো আর প্যাকেটের চলাচল দেখো।
ট্রান্সমিশন মোডের পাঠ পড়ি →ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড
একটি শব্দ বা বাক্য লেখো (ইংরেজি অক্ষর, সর্বোচ্চ ৪০টি)। প্রতিটি অক্ষর ৮ বিটের ASCII কোডে যায়। দেখো অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে একই বার্তা পাঠাতে কত বিট লাগে।
অ্যাসিনক্রোনাস: অক্ষর একটি একটি করে, মাঝে বিরতি
সিনক্রোনাস: সব অক্ষর এক ব্লকে, শুরুতে হেডার আর শেষে ট্রেইলার
স্টার্ট বিট (0)ডেটা বিটস্টপ বিট (1)SYN (হেডার)CRC (ট্রেইলার)
আইসোক্রোনাস পদ্ধতি কী?
আইসোক্রোনাস পদ্ধতিতে ডেটা সিনক্রোনাসের মতো ব্লকে যায়, কিন্তু প্রতিটি ব্লক নির্দিষ্ট সময় পরপর পৌঁছানোর নিশ্চয়তা থাকে—দেরি বা ঝাঁকুনি (জিটার) হলে চলবে না। তাই রিয়েল-টাইম অডিও-ভিডিও, ভিডিও কল ও লাইভ সম্প্রচারে এটি ব্যবহৃত হয়। এখানে হারানো ব্লক আবার পাঠানোর চেয়ে সময়মতো পৌঁছানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
হিসাবের মডেল: অ্যাসিনক্রোনাসে প্রতি অক্ষরে ১টি স্টার্ট ও ১টি স্টপ বিট; সিনক্রোনাসে প্রতি ব্লকে ২ বাইট SYN ও ২ বাইট CRC। বাস্তব লিংকে এই সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে।
ট্রান্সমিশন মেথডের পাঠ পড়ি →হাব বনাম সুইচ
পাঁচটি কম্পিউটার একটি হাব বা সুইচে যুক্ত। একটি কম্পিউটার থেকে আরেকটিতে ফ্রেম পাঠাও। হাব সবাইকে পাঠিয়ে দেয়; সুইচ প্রতিটি ফ্রেম থেকে প্রেরকের MAC ঠিকানা শিখে নেয় এবং পরে শুধু প্রাপককে পাঠায়।